
আজকের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গেছে যে:-শুক্রবার ভারতের আদানি গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে বড় ধস নেমেছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC) আদালতের কাছে আবেদন করেছে, যাতে গৌতম আদানি এবং তাঁর ভাগ্নে সাগর আদানিকে ব্যক্তিগত ইমেলের মাধ্যমে সমন পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়। এই খবরে বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়ে এবং গ্রুপের মোট বাজার মূলধন প্রায় ১২.৫ বিলিয়ন ডলার কমে যায়।
সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে:-শেয়ারবাজারে আদানি গ্রুপের বিভিন্ন সংস্থার শেয়ার ৩.৪ শতাংশ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪.৫৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। বিশেষ করে, আদানি এন্টারপ্রাইজেস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুক্রবার এর শেয়ারের দাম ১০.৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১,৮৬৪.২০ টাকায়। একই সময়ে ভারতের প্রধান সূচক নিফটি ৫০ প্রায় ০.৯৫ শতাংশ হ্রাস পায়।
বৃহস্পতিবার ভারতীয় বাজার বন্ধ হওয়ার পর রয়টার্স মার্কিন এসইসি-র ফাইলিংয়ের বিষয়টি প্রকাশ করে। ওই নথিতে জানানো হয়, প্রায় ২৬৫ মিলিয়ন ডলারের একটি ঘুষ এবং জালিয়াতি সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত অভিযোগপত্র অনুযায়ী:-আদানি গ্রুপের কিছু শীর্ষ নির্বাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, আদানি গ্রিন এনার্জির মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কেনার ক্ষেত্রে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার একটি পরিকল্পনার সঙ্গে তারা যুক্ত ছিলেন।
তবে আদানি গ্রুপ এই সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে এবং জানিয়েছে, তারা আইন অনুযায়ী সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
মার্কিন আইনে বিদেশি সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে।
বিশেষ করে, যারা আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে, তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে ঘুষ দেওয়া এবং ভ্রান্ত তথ্যের মাধ্যমে বিনিয়োগ আকর্ষণ করার মতো কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।